প্রশাসনিক
প্রতিষ্ঠাতা
এম. এ. খায়ের
দাতা
স্বাধীনতার পূর্বে ১৯৭০ সালের সাধারন নির্বাচন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বারবার নির্বাচিত সাংসদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অতিঘনিষ্ঠ সহচর সর্বজন শ্রদ্ধীয় মোল্লাহাটের কৃতি সন্তান জনাব এম. এ. খায়ের (মোহাম্মদ আবুল খায়ের) ১৯৪০ সালে ৪টি লেটার সহ ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। পরবর্তীতে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ হতে প্রথম বিভাগে আই. এ. এবং ১৯৪৫ সালে ঐ একই কলেজ হতে কৃতিত্বের সহিত বি. এ. পাশ করেন। কর্মজীবনে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং পরে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি ময়মনসিংহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ হতে প্রথম বিভাগে বি. এড. পাস করেন। ১৯৭২ সালে মোল্লাহাটের একমাত্র নারী শিক্ষার প্রানকেন্দ্র হিসেবে নিজের জমিতে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে শহীদ হেমায়েত উদ্দিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, মোল্লাহাট, বাগেরহাট। স্থাপন করেন। যা আজ মোল্লহাট তথা বাগেরহাট জেলার ঐতিহ্যবাহী নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচালিত হচ্ছে। ১৯৮৬ সালে তৃতীয়বারের মত এম. পি. নির্বাচিত হয়ে একই বছর আগস্ট মাসে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় এক জনসভায় যোগদান শেষে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং ১৯৮৯ সালের ২৯ শে নভেম্বর তাঁর পৌত্রিক বাসভবনে তিনি চির নিদ্রায় শায়িত হন।
ম্যানেজিং কমিটি
মোঃ জাহিদুল ইসলাম
সভাপতি
সম্মানিত অভিভাবক, আপনাদের সকলের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নতুন প্রজম্মের শিক্ষার্থীদের জন্য রইল শুভ কামনা। ঐতিহ্যবাহী শহীদ হেমায়েত উদ্দিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় অর্ধ শতাব্দীরও অধিক সময় ধরে এই জনপদে শিক্ষার আলো বিস্তার করে যাচ্ছে। আধুনিক ও যুগোপযোগী লেখাপড়া,খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে এ প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে গৌরবময় ইতিহাস। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্দেশ্যে শতভাগ শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রীদের বিশেষ বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে লেখাপড়ায় উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে অত্র প্রতিষ্ঠানটি দক্ষ ম্যানেজিং কমিটির সুনিবিড় তত্ত্ববধানে এক ঝাঁক মেধাবী ও খ্যাতিমান শিক্ষক- শিক্ষিকাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। সম্মানিত অভিভাবক এলাকার বিশিষ্ঠ শিক্ষানুরাগী ও অত্র বিদ্যালয়ের শুভানুধ্যায়ীদের সার্বিক সহযোগিতা আমি একান্ত ভাবে কামনা করছি।
প্রতিষ্ঠান প্রধান
উম্মে হামীমা
প্রধান শিক্ষক
অর্ধ শতাব্দীর প্রাচীন ”শহীদ হেমায়েত উদ্দিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়” আদর্শ নিষ্ঠ ছাত্রী তৈরি করে তার ঐতিহ্য-কে গৌরবম্বিত করে রেখেছে। আমাদের স্বপ্ন বিদ্যালয়টিকে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত করা, যার মধ্যথেকে বেরিয়ে আসবে সৎ, নিষ্ঠাবান, দায়িত্বশীল, সুশৃংখল এবং কর্মমূথী জ্ঞান সমৃদ্ধ ছাত্রী। এসব ছাত্রী কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যদি তাদের পরিবার, সমাজ, দেশ ও সর্বোপরি গণমানুষের কল্যাণে কিছু করতে পারে তবেই সার্থক হবে আমাদের সব আয়োজন ও প্রয়াস।